বাবা-মায়ের লাজুক জয় আজ আলোর দ্যুতি ছড়াচ্ছে ||banglajournal24.com

admin

আসিফ ইকবাল রিপন :: বাংলার সাত বীরশ্রেষ্ঠের একজন জন্মেছিলেন এই বাবুগঞ্জে।বলছিলাম ১৯৪৮ সালের ৭ মার্চ জন্ম গ্রহণ করা বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের জন্মভূমি বরিশালের বাবুগঞ্জের মাটির পূর্ণতা ও পবিত্রতার কথা। স্বাধীনতার অবদানে অসংখ্য বীর থাকলেও বীরশ্রেষ্ঠ মাত্র সাত জন এর একজনের জন্ম এ মাটিতে। পবিত্র বরিশাল বাবুগঞ্জের মাটিকে ধারাবাহিক পূর্ণতা দিয়ে ১৯৯১ সালের অক্টোবর মাসে ৩০ তারিখ পিতা আবদুল আলীম খান ও মিসেস নার্গিস খানের কোলজুড়ে আলোকিত করে এসেছেন তাদের আদরের জয়।

মায়ের সাথে জয়।


বরিশাল জেলা স্কুলে ভর্তি হয়ে শিক্ষা জীবন শুরু করেন আল নাহিয়ান খান জয়। প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের প্রত্যেকটি শ্রেনীতে মেধা ও সফলতার স্বাক্ষর রেখে পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণিতে বৃত্তি লাভ করেন এবং বরিশালের ঐতিহ্যবাহী জেলা স্কুল থেকে এসএসসি পাস করেন।এরপর উচ্চ মাধ্যমিকে বিখ্যাত ঢাকা কমার্স কলেজ থেকে এইচ এস সি পাশ করে ভর্তি হন স্বপ্নের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ্য লোভনীয় সাবজেক্ট ও নিজের স্বপ্নের কাছাকাছি পৌছানোর জন্য সে হয়ে উঠলেন আইন বিভাগের ছাত্র।আবাসিক ছাত্র হিসেবে স্থান হলো শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে।


দাদার বলা গল্পকে আদর্শে পরিণত করতে এবার ক্ষুদে বঙ্গবন্ধু হয়ে শুরু করে দিলেন ছাত্র রাজনীতি।আইন বিভাগের লাজুক ছেলেটি আজ সবার মন জয় করে খুব অল্প সময় বিভাগের অগ্রজের মাঝে পরিচিতি পেলেন মিষ্ট হাসি জয় হিসেবে।

পরিবারের সাথে জয়।

এবার চিন্তা রাজনীতি ! বিশ্ববিদ্যালয় রাজনীতিতে যেহেতু হল থেকেই শুরু করতে হয় তাই হল রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে হল কমিটির উপ-আইন বিষয়ক সম্পাদক হলেন।নাম লিখলেন ছাত্র রাজনীতিতে। পড়াশোনায় যেমন ফলাফল ভালো তেমনি রাজনীতিতেও এগিয়ে এবার পেলেন শহীদ সার্জন্ট জহুরুল হকের সাধারণ সম্পাদক। হল রাজনীতিতেও সকলের মন জয় করে হয়ে উঠলেন সকলের প্রিয় জয় ভাই।

পরিচিতি পেলো এবার পুরো বিশ্ববিদ্যালয় জুড়ে আল নাহিয়ান খান জয়।ডিপার্টমেন্ট, হল, বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ল সবার মুখে মুখে সরল,সততা,আদর্শ,বিনয়ী ও সদা হাস্যজ্বল একজন আল নাহিয়ান খান জয় অনেকের কাছেই হয়ে উঠলেন রাজনৈতিক আদর্শ ও অনুসরণের আলোকরশ্মি দ্বীপ্ত শিখা হিসেবে।
সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে পালন শেষে এবার ডাক পেলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের আইন বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে।বাস্তবতা হলো আগুন কখনো বেধে রাখা যায় না। আল নাহিয়ান খান জয় এখন ক্যাম্পাসের গন্ডি পেরিয়ে ছড়িয়ে গেলেন সারা বাংলাদেশের ৫০ লাখ নেতা কর্মির চোখে।

হলের সাধারন সম্পাদক জয়

২৯ তম কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সম্মেলনে আল নাহিয়ান খান জয় হয়ে ওঠেন একজন গুরুত্বপূর্ণ পদ প্রত্যাশী হিসেবে।সারাদেশে লাখ লাখ অনুসারী ও সমর্থক তাকে সমর্থন দিয়েছেন কিন্তু এক অদৃশ্য শক্তি তার পথে বাধা হয়ে যোগ্যতা থাকা সত্বেও যোগ্য চালকের আসনে বসতে দেয়নি। এরপর কেন্দ্রীয় কমিটি পূনাঙগ করার সময় বিকল্পহীন নিরুপায় হয়েই তাকে প্রথম সহ সভাপতি করতে বাধ্য হয়।
সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকের ব্যক্তিগত কর্মকান্ডে সংগঠন বিতর্কিত হতে থাকে।টেন্ডার ও চাঁদাবাজির মত অভিযোগ নিয়ে ৫০ লাখ কর্মীর প্রাণের সংগঠন মূহুর্তেই জন্ম দেয় সীমাহীন কলঙ্কিত অধ্যায়ের।

১৫ই সেপ্টেম্বর ভারপ্রাপ্ত কমিটি ঘোষণা করা হয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য কে। ইতিহাসে এই প্রথম আওয়ামী লীগ সভাপতি দেশরত্ন শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি।

এক কথায় দেশরত্ন শেখ হাসিনা ছাত্রলীগের ইতিহাসে কোনো কমিটি নিজের মুখ থেকে ঘোষণা করেছে তা কেউ কখনো সরাসরি কানে শুনেননি যা আল নাহিয়ান খান জয় লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মী সামনে রেখে আদায় করে নিয়েছেন।ঐতিহাসিক ৪ঠা জানুয়ারীর পর বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আর পিছনে দিকে তাকায়নি এবার সামনে এগিয়ে যাওয়ার পালা শুরু হলো একশন।

করোনার মত বৈশ্বিক মহামারী কে বৃদ্ধাঙুলি দেখিয়ে জীবন যৌবনের মায়া তুচ্ছ করে নেমে পড়েন মানবতার সেবায়। নিজেরা ফর্মূলা দিয়ে হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি করে, মাক্স ও খাদ্য সামগ্রী বিনামূল্যে বিতরণ করেন। দিনদিন পরিস্থিতি যখন খারাপের পথে তখন হ্যালো ছাত্রলীগ অ্যাপস তৈরি করে চিকিৎসা, সচেতনতা ও খাদ্য সামগ্রী বিনামূল্যে সরবরাহ ব্যবস্থা করেন।করোনায় মৃত্যু ব্যাক্তির লাশের পাশে নিকটাত্মীয় বাবা নেই সন্তানের পাশে- সন্তান নেই মায়ের পাশে এমন কোনো লোক যখন দাফন করার জন্যেও পাশে পাওয়া যায়নি তখন ছাত্রলীগ এসে বীরের বেশে দাড়িয়েছে।

বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা যেমন আস্থা রেখেছে জয়-লেখক এ তেমনি তার প্রতিদান দিচ্ছে। আলোকিত করেছে বঙ্গবন্ধুর কন্যার মুখ। বঙ্গবন্ধুর কন্যার প্রশংসা পাওয়া এত সহজ নয়। অতএব বলতেই হবে বাংলাদেশ ছাত্রলীগে সেই লাজুক ছেলেটি আজ আলোর দ্যুতি ছড়াচ্ছেন।

লেখক :আসিফ ইকবাল রিপন সাধারন কর্মী বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

লেখক:আসিফ ইকবাল রিপন
Next Post

প্রধানমন্ত্রীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে ছাত্রলীগের দোয়া ও মিলাদ মাহ্ফিল।।banglajournal

বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে আজকের দিনটির গুরুত্ব একেবারেই আলাদা। করোনার অভিঘাত বাদ দিলে আজকের বদলে যাওয়া বাংলাদেশের যোগসূত্র আছে এই দিনটির সঙ্গে আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ।১৯৮১ সালের এই দিনে তিনি ফিরে এসেছিলেন প্রিয় পিতৃভূমিতে। এই দিবস কে কেন্দ্র করেবাংলাদেশ ছাত্রলীগ কর্তৃক আয়োজিত দোয়া ও মিলাদ মাহফিল এবং টি.এস.সিতে আজ […]

You May Like